Download WordPress Themes, Happy Birthday Wishes

তথ্য-প্রযুক্তির ২০২০

দেশের তথ্য-প্রযুক্তিতেও লেগেছিল করোনার প্রভাব। তাতে অনেক কিছুই বদলে গেছে। এ ছাড়া দেশের তথ্য-প্রযুক্তির অঙ্গনে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে যা কি না বদলে দেবে এই অঙ্গন। আলোচিত বিষয়গুলো নিয়ে লিখেছেন আল আমীন দেওয়ান

করোনা মহামারির বছরে সবচেয়ে বড় নির্ভরতা ও প্রয়োজন হয়ে পড়ে তথ্য-প্রযুক্তি। দেশের পুরো শিক্ষা ব্যবস্থা হয়ে পড়ে অনলাইননির্ভর। ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেটসহ মোবাইল ইন্টারনেটের ব্যবহার বেড়ে যায় ব্যাপকভাবে। অনলাইনে ক্লাস চালু হওয়ায় বেড়ে যায় স্মার্টফোনের বিক্রিও।

লকডাউনের মধ্যে ই-কমার্স মাধ্যমে কেনাকাটা কয়েক গুণ বেড়ে যায়, ই-কমার্সগুলো জরুরি সেবা দিতে থাকে। সভা, সেমিনারসহ সংবাদ সম্মেলন—সব হতে থাকে ভার্চুয়াল প্ল্যাটফর্মে। প্রথমবারের মতো সরকারের মন্ত্রিসভার বৈঠকও হয় অনলাইনে। ভার্চুয়াল কোর্টের মাধ্যমে বিচারিক কার্যক্রম, টেলি মেডিসিন সেবাসহ বিভিন্ন অনলাইন সেবায় অনেকটাই অভ্যস্ত হয়ে যায় মানুষ। করোনাকালীন ৭ মাসে ১০ লাখ ই-ফাইলের কাজ করে সরকার।

সরকারি বরাতে, কভিড-১৯ মহামারিকালে ইন্টারনেটের ব্যবহার বেড়েছে প্রায় ৫০ শতাংশ, ই-কমার্সে কেনাকাটা বেড়েছে ৫০ শতাংশ এবং মোবাইল ব্যাংকিংয়ে অ্যাকাউন্ট খোলা হয়েছে ৫০ লাখ। দুর্যোগ, মহামারিকালে তথ্য-প্রযুক্তি ব্যবহার করেই দেশের অর্থনৈতিক কার্যক্রম সচল রাখা হয়।

বাংলাদেশে ফেসবুকের মামলা
বছরের শেষ দিকে ফেসবুক ডটকম ডটবিডি (facebook.com.bd) উদ্ধারে দেশের এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে ফেসবুকের মামলা ছিল বেশ আলোচিত ঘটনা। ২৩ নভেম্বর ঢাকা জেলা জজ আদালতে ট্রেডমার্ক অ্যাক্ট ৯৬ ও ৯৭ ধারায় এবং ফৌজদারি আইনের ১৫১ ধারায় এস কে সামসুল আলম নামে ওই ব্যক্তির বিরুদ্ধে এই মামলা করে ফেসবুক। মামলা নম্বর ৪১/২০২০।

মামলায় এই ডোমেইন ‘দখলকারী’র বিরুদ্ধে ৫০ হাজার ডলার (৪৪ লাখ টাকা) ক্ষতিপূরণ দাবির পাশাপাশি ডোমেইনটি যাতে ব্যবহার ও হস্তান্তর না করতে পারে সে জন্য এর ওপর স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা চেয়েছিল বিশ্বখ্যাত এই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম। এরপর এই ডোমেইন ব্যবহারে অন্তর্বর্তীকালীন নিষেধাজ্ঞা দেন আদালত। ২০২১ সালের ৯ মার্চ মামলার পরবর্তী তারিখ দেওয়া হয়েছে। সে পর্যন্ত ডোমেইন ব্যবহারের এই নিষেধাজ্ঞা বলবৎ থাকবে। এ ছাড়া এই নিষেধাজ্ঞা স্থায়ী করা হবে না—বিবাদীদের আগামী ১৫ দিনের মধ্যে সেই ব্যাখ্যা দিতে বলেন আদালত। ফেসবুক ডটকম ডটবিডি ডোমেইনটি বিটিসিএল থেকে এস কে সামসুল আলম বরাদ্দ নিয়ে রেখেছেন। ২০০৮ সালে এই ডোমেইন কেনেন তিনি। এস কে সামসুল আলম এওয়ান সফটওয়্যার লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং প্রধান নির্বাহী।

ডোমেইনটি ছয় মিলিয়ন ডলার বিক্রির জন্য বিজ্ঞাপনও দিয়ে রেখেছেন তিনি। এর আগে এই ডোমেইন বন্ধ করার জন্য আইনি নোটিশও পাঠিয়েছিল ফেসবুক।

ভার্চুয়াল ডিজিটাল ওয়ার্ল্ড
করোনার চ্যালেঞ্জ উতরে ডিসেম্বরের শুরুতে আয়োজন করা হয় তথ্য-প্রযুক্তি খাতের মহোৎসব ডিজিটাল ওয়ার্ল্ড-২০২০। বৈশ্বিক এই মহামারিতে পুরো পৃথিবী যেখানে টালমাটাল, সেখানে ভার্চুয়ালি এই আয়োজন সম্পন্ন করে সরকার। অ্যাপের মাধ্যমে পুরো প্রদর্শনী ঘুরে দেখেছে দর্শনার্থীরা। ৯ থেকে ১১ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত ডিজিটাল ওয়ার্ল্ডের প্রতিপাদ্য ছিল ‘সোশ্যালি ডিস্ট্যান্স, ডিজিটালি কানেক্টেড। ভার্চুয়াল প্ল্যাটফর্মে এই আয়োজনের উদ্বোধন করেন মহামান্য রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ।

আয়োজনের মধ্যে ছিল বিভিন্ন দেশের মন্ত্রীদের অংশগ্রহণে মিনিস্ট্রিয়াল কনফারেন্স। অনুষ্ঠিত হয়েছে বিষয়ভিত্তিক ২৪টি সেমিনারও।

ফ্রিল্যান্সারদের পরিচয়পত্র
ফ্রিল্যান্সারদের আর্থিক ও সামাজিক মর্যাদা নিশ্চিতে বছরটিতে পরিচয়পত্র প্রদানের কার্যক্রম শুরু হয়। নভেম্বরের শেষ দিকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই কার্যক্রম বাস্তবায়নে ভার্চুয়াল আইডি কার্ড পোর্টালের উদ্বোধন করেন।

দেশের প্রায় সাড়ে ছয় লাখ ফ্রিল্যান্সারকে ভার্চুয়াল কার্ড দেওয়ার পোর্টাল চালু করা হয়। এই কার্ডের মাধ্যমে আত্মপরিচয়ের পাশাপাশি ব্যাংকের ঋণ সহায়তা এবং হাইটেক পার্কে অগ্রাধিকার পাবেন ফ্রিল্যান্সাররা।

উইটসায় বাংলাদেশের ছয় প্রতিষ্ঠানের পুরস্কার
তথ্য-প্রযুক্তির অলিম্পিকখ্যাত ওয়ার্ল্ড কংগ্রেস অব ইনফরমেশন টেকনোলজির (ডাব্লিউসিআইটি) সম্মেলনে উইটসা গ্লোবাল আইসিটি এক্সিলেন্স পুরস্কার পায় বাংলাদেশের ছয় প্রতিষ্ঠান।

নভেম্বরে অনুষ্ঠিত ওয়ার্ল্ড ইনফরমেশন টেকনোলজি অ্যান্ড সার্ভিস অ্যালায়েন্সের (উইটসা) এই সম্মেলনে চারটি বিভাগে রানার-আপ এবং দুটি বিভাগে মেরিট পুরস্কার পেয়েছে বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠানগুলো। উইটসার এই গ্লোবাল আইসিটি এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড-২০২০-এ মোট ১০টি বিভাগে ১০ চ্যাম্পিয়ন ও রানার-আপ এবং ২১টি মেরিট পুরস্কার ছিল।

রানার-আপ পুরস্কার পাওয়া প্রতিষ্ঠানগুলো হলো—কভিড-১৯ টেক সলিউশনস ফর সিটিজ অ্যান্ড লোকালিটিজ বিভাগে তথ্য-প্রযুক্তি বিভাগের এটুআই প্রকল্প এবং বেসরকারি প্রতিষ্ঠান সিনেসিস আইটি লিমিটেড। প্রাইভেট পার্টনারশিপ বিভাগে সরকারের ইনোভেশন ডিজাইন অ্যান্ড এন্টারপ্রেনারশিপ একাডেমি (আইডিয়া) প্রকল্প। ইনোভেটিভ ই-হেলথ সলিউশনস বিভাগে মাইসফটের মাই হেলথ বিডি এবং ভার্চুয়াল হসপিটাল অব বাংলাদেশ।

ই-এডুকেশন অ্যান্ড লার্নিং বিভাগে বিজয় ডিজিটাল। এ ছাড়া মেরিট পুরস্কার পেয়েছে ডিজিটাল অপরচুনিটি অর ইনক্লুশন বিভাগে নগদ এবং সাসটেইনেবল গ্রোথ বিভাগে ডিভাইন আইটি লিমিটেডের প্রিজম ইআরপি।

টেলিকম
পুঁজিবাজারে রবি
বেশ কয়েক বছর ধরে আসি আসি করে শেষ পর্যন্ত ২০২০ সালের মার্চে পুঁজিবাজারে আসার জন্য আবেদন করে দেশের অন্যতম মোবাইল সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান রবি। এরপর প্রতি শেয়ার ১০ টাকা হিসেবে ওই মূলধন তোলার জন্য ২৩ সেপ্টেম্বর রবির আইপিও অনুমোদন করে বিএসইসি। ৫২৩.৭ কোটি টাকার প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) মাধ্যমে দেশের পুঁজিবাজারের ইতিহাসে বৃহত্তম ইস্যু নিয়ে যাত্রা শুরু করে রবি। ফলে আইপিও কেনার জন্য আবেদনও পড়েছিল ৫.৭৪ গুণ বেশি। ২৪ ডিসেম্বর ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে রবির লেনদেন শুরু হয়।

অবৈধ মোবাইল ফোন বন্ধে চূড়ান্ত কার্যক্রম শুরু
অবৈধ, নকল ও চুরি যাওয়া মোবাইল হ্যান্ডসেট বন্ধে বিটিআরসির চেষ্টা বেশ কয়েক বছরের। ২০১২ সালে প্রথম এই উদ্যোগ নেওয়ার পর অবশেষে ২০২০ সালে তা বাস্তবায়িত হতে যাচ্ছে। বছরটির ২৫ নভেম্বর বিটিআরসির সঙ্গে চুক্তি করে এই কার্যক্রমে প্রযুক্তি সরবরাহ ও পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান সিনেসিস আইটি। তাদের সঙ্গে এই কাজে জয়েন্ট ভেঞ্চারের সঙ্গে রয়েছে র‌্যাডিসন টেকনোলজি ও কম্পিউটার ওয়ার্ল্ড।

চুক্তি স্বাক্ষরের দিন থেকে ১২০ কার্যদিবসের মধ্যে ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেনটিটি রেজিস্টার (এনইআইআর) কার্যক্রম চালুর কথা। বিটিআরসি চাইছে এই ১২০ দিন, মানে ২০২০ সালের এপ্রিলের মধ্যেই যেন কার্যক্রম চালু হয়ে যায়।

এনইআইআর চালুর পর থেকেই অবৈধ পথে দেশে আসা, ক্লোন বা চুরি করা হ্যান্ডসেটে মোবাইল নেটওয়ার্কে যোগাযোগ করা যাবে না। মানে, এসব ফোনে এনইআইআর চালুর কিছুদিনের মধ্যে একেবারেই কোনো মোবাইল ফোন অপারেটরের সিম চলবে না। এনইআইআর সিস্টেম চালু হলে সরকার প্রতিবছর চার হাজার কোটি টাকার মতো বাড়তি রাজস্ব পাবে।

দেশের তৃতীয় সাবমেরিন প্রকল্পের অনুমোদন
বছরের ডিসেম্বর মাসের প্রথম দিনে দেশের তৃতীয় সাবমেরিন প্রকল্পে অনুমোদন দেয় সরকার। ‘বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থা সম্প্রসারণের লক্ষ্যে তৃতীয় সাবমেরিন কেবল স্থাপন’ শীর্ষক এই প্রকল্প বাস্তবায়ন করবে বাংলাদেশ সাবমেরিন কেবল কম্পানি লিমিটেড (বিএসসিসিএল)।

প্রকল্পটির মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ৬৯৩ কোটি ১৬ লাখ ৭১ হাজার টাকা। এতে সরকার দেবে প্রায় ৩০১ কোটি টাকা এবং বাকি ৩৯২ কোটি আসবে বিএসসিসিএল থেকে। চলতি বছর কাজ শুরু হয়ে ২০২৪ সালের জুন পর্যন্ত এটির বাস্তবায়নের সময়।

প্রকল্পটি বাস্তবায়নের পর ব্যান্ডউইডথ রপ্তানি করে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনেরও সুযোগ সৃষ্টি হবে, জানায় সরকার।

সিঙ্গাপুর থেকে ফ্রান্স পর্যন্ত সংযুক্ত সি-মি-উই-৬ সাবমেরিন কেবলটি ভারত মহাসাগর, আরব সাগর, লোহিত সাগর হয়ে ভূমধ্যসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত হবে। কেবলটির কোর ল্যান্ডিং স্টেশন হবে সিঙ্গাপুর, ভারত, জিবুতি, মিসর ও ফ্রান্সে।

বাংলাদেশের শাখাটি বঙ্গোপসাগর হয়ে কক্সবাজারের কেবল ল্যান্ডিং স্টেশন পর্যন্ত বিস্তৃত হবে।

আইএসপিএবির ঝুলন্ত তার আন্দোলন
অক্টোবরের মাঝামাঝি সারা দেশে ইন্টারনেট ও ডিশ সংযোগ বন্ধের হুমকি দিয়ে আন্দোলনে নামেন ইন্টারনেট সার্ভিস প্রভাইডাররা, যা বেশ আলোচিত হয়েছিল।

গ্রাহক পর্যন্ত সংযোগ স্থাপনে ঝুলন্ত তারের বিকল্প ব্যবস্থা না করে তার কাটায় ১২ অক্টোবর সংবাদ সম্মেলন করে ইন্টারনেট ও ডিশ সংযোগ বন্ধ করার এই কর্মসূচি দিয়েছিলেন তাঁরা। সেখানে ১৮ অক্টোবর থেকে প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত সারা দেশে বাসাবাড়ি, অফিস, ব্যাংকসহ সব পর্যায়ে ইন্টারনেট ডাটা কানেকটিভিটি এবং কেবল টিভি বা ডিশ বন্ধ রাখার কর্মসূচি ছিল।

পরে ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার, তথ্য-প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহেমদ পলক, টেলিযোগাযোগ সচিব মো. আফজাল হোসেনসহ দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এবং সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরের আশ্বাসের পরিপ্রেক্ষিতে কর্মসূচি স্থগিত করেন তাঁরা। এরপর দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়রের সঙ্গে বৈঠক করে মাটির নিচ দিয়ে তার নেওয়ার বিষয়ে সমঝোতা হয় এবং কর্মসূচি তুলে নেয় আইএসপিএবি।

জিপি-রবির ভোল্টি চালু
বছরের শুরুতে ফেব্রুয়ারি মাসে রবি এবং জুন মাসে গ্রামীণফোন মোবাইলে কথা বলার সর্বাধুনিক প্রযুক্তি ভয়েস ওভার এলটিই বা ভোল্টি চালু করে। মূলত ফোরজি বা এলটিই নেটওয়ার্কে কথা বলার প্রযুক্তি হলো, এই ভয়েস ওভার এলটিই, ভোল্টি, ভোল্টে বা ভোল্ট (VOLTE)।

ভোল্টিতে এইচডি ক্রিস্টাল ক্লিয়ার মানে কথা বলা যায়, যা উপভোগ করা যায় অডিও-ভিডিও দুটিতেই। কথা বলতে গিয়ে কেটে কেটে যাওয়ার বিষয়টি একেবারে থাকে না। কলড্রপ কমে যায়। মোবাইলের ব্যাটারির চার্জ খরচ হয় অনেক কম। এ ছাড়া প্রচলিত সুইচ প্রযুক্তির বদলে এই প্রযুক্তিতে ভয়েস কল প্রতি অপারেটরগুলোর খরচও কম পড়ে।

অডিট আপত্তি, জিপি-রবির টাকা জমা
অডিট আপত্তিতে গ্রামীণফোনের কাছে বিটিআরসির মোট ১২ হাজার ৫৭৯ কোটি ৯৫ লাখ টাকা পাওনা দাবি নিয়ে দীর্ঘ সময় ধরে বিবাদ চলে এবং তা সরকারের শীর্ষ পর্যায় ও আদালত পর্যন্ত পৌঁছায়। এটি টেলিকম খাতে বেশ আলোচনায় ছিল। শেষ পর্যন্ত আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী গ্রামীণফোন ইস্যুটি সুরাহা করতে এগিয়ে আসে। সুরাহা প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে গ্রামীণফোন বিটিআরসিকে দুই দফায় দুই হাজার কোটি টাকা জমা দেয়। এতে অডিট আপত্তির পাওনা দাবি ইস্যু সমাধানে নতুন করে আলোচনার সুযোগ তৈরি হয় এবং উভয় পক্ষ এটি সমাধানে কাজ করছে।

অন্যদিকে রবির কাছে অডিট আপত্তিতে বিটিআরসির দাবির ৮৬৭ কোটি ২৩ লাখ টাকা নিয়ে চলে বিরোধ। তবে বছরের শুরুর দিকে ২৭ কোটি ৬০ লাখ টাকা পরিশোধ করে রবি। আদালত ৫ জানুয়ারি বিটিআরসি-রবির অডিট আপত্তির পাওনা দাবির ইস্যুতে পাঁচ মাসের সমান কিস্তিতে ১৩৮ কোটি টাকা পরিশোধের নির্দেশ দিয়েছিলেন।