Download WordPress Themes, Happy Birthday Wishes

ব্যক্তিগত ডেটা অর্থের মতোই মূল্যবান

তথ্যের গোপনীয়তা সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং কার্যকরী উপায়ে এটি নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে প্রতি বছর ২৮ জানুয়ারি উদযাপন করা হয় ডেটা গোপনীয়তা দিবস বা ডেটা প্রাইভেসি ডে।

তথ্য গোপনীয়তা দিবসের শিক্ষামূলক উদ্যোগটি মূলত ব্যবসায়ের পাশাপাশি ব্যবহারকারীদের অনলাইনে তাদের ব্যক্তিগত তথ্যের গোপনীয়তা রক্ষার গুরুত্ব সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানোর দিকে দৃষ্টি নিবদ্ধ করে। বর্তমান বিশ্বের বেশিরভাগ মানুষের অনেকটা সময় অনলাইনে কাটায়। বেশিরভাগ কাজও হচ্ছে অনলাইনে। আর এই অনলাইন জগতের পুরোটাই ডেটানির্ভর।

প্রতিদিন অনলাইনে আদান-প্রদান হচ্ছে অসংখ্য তথ্য। অনলাইনে তাই নিজের ডেটা সুরক্ষিত রাখাটাও একটি বড় চ্যালেঞ্জ। কীভাবে গ্রাহকের ব্যক্তিগত তথ্য ব্যবহার হচ্ছে, মজুদ করা হচ্ছে বা শেয়ার করা হচ্ছে সে বিষয়ে অনেকেই সচেতন নন।

গ্রাহককে শক্তিশালী করা এবং প্রতিষ্ঠান যাতে ডেটা সুরক্ষায় পদক্ষেপ নেয় সে বিষয়টি স্মরণ করিয়ে দেওয়াই এই দিনের মূল লক্ষ্য। আনুষ্ঠানিকভাবে এই দিনটির প্রচারণা চালায় ন্যাশনাল সাইবার সিকিউরিটি অ্যালায়েন্স (এনসিএসএ)।

এসিএসএ’র নির্বাহী পরিচালক কেলভিন কোলম্যান বলেছেন, ‘সাম্প্রতিক বছরে গ্রাহকের ডেটার অপব্যবহারের বিষয়ে আমরা আরও বেশি বৈশ্বিক সচেতনতা দেখতে পেয়েছি, জিডিপিআর এবং সিপিআরএ’র মতো গোপনীয়তা রক্ষা পদক্ষেপকে ধন্যবাদ।’ ডেটা গোপনীয়তা দিবসের এ বছরের লক্ষ্য- তথ্যের মূল্যে আলোকপাত করা। আপনি যদি ব্যক্তিগতভাবে নিজের গোপনীয়তা আরও ভালোভাবে ব্যবস্থাপনা করতে চান ও আপনার ডেটা কীভাবে সংগ্রহ হচ্ছে তা জানতে চান বা কোনো ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান ডেটা সংগ্রহ করছে, মজুদ করছে ও সেগুলো ব্যবহার করছে, সব সময়ই মনে রাখবেন ব্যক্তিগত তথ্য অর্থের মতোই মূল্যবান। সুরক্ষিত রাখুন।

উল্লেখ্য, ২০০৮ সালের জানুয়ারিতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং কানাডায় প্রথম শুরু হয় ডেটা গোপনীয়তা দিবস। ইউরোপের ‘ডেটা প্রোটেকশন ডে’ উদযাপনের বিস্তারের মাধ্যমে ডেটা গোপনীয়তা দিবস চালু করে যুক্তরাষ্ট্র এবং কানাডা। ১৯৮১ সালের ২৮ জানুয়ারিতে কনভেনশন ১০৮-এ স্বাক্ষরের মাধ্যমে স্বীকৃতি পায় ডেটা প্রোটেকশন ডে। আইনি প্রক্রিয়া মেনে গোপনীয়তা এবং ডেটা সুরক্ষা বিষয়ে এটিই প্রথম আন্তর্জাতিক চুক্তি ছিল।